Header Ads Widget

আইপিএলের ১৩ কোটি টাকার তারকা বাদ ইংল্যান্ডের টি২০ বিশ্বকাপ দল থেকে, অ্যাশেজ পারফরম্যান্সে সুযোগ পেসারের

 


মঙ্গলবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করল ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ড (ইসিবি)। আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, যা অনুষ্ঠিত হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে। ঘোষিত দলে জায়গা পাননি আইপিএল নিলামে ১৩ কোটি টাকায় বিক্রি হওয়া তারকা অলরাউন্ডার লিয়াম লিভিংস্টোন।

এ বারের আইপিএল নিলামে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ লখনউ সুপার জায়ান্টসকে টপকে ১৩ কোটি টাকায় লিভিংস্টোনকে দলে নেয়। তবে সাম্প্রতিক ফর্মের অভাবই বিশ্বকাপ দল থেকে তাঁর বাদ পড়ার মূল কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৫ সালের ২ ফেব্রুয়ারি ওয়াংখেড়েতে শেষবার ইংল্যান্ডের জার্সিতে খেলেছিলেন তিনি। আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ৬০ ম্যাচে ৯৫৫ রান ও ৩৩ উইকেট থাকলেও গত এক বছরে ধারাবাহিক পারফরম্যান্স করতে পারেননি লিভিংস্টোন। গত আইপিএলেও রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হয়ে প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হন তিনি।

লিভিংস্টোনের পাশাপাশি দলে জায়গা হয়নি উইকেটরক্ষক ব্যাটার জেমি স্মিথেরও। সাদা বলের ক্রিকেটে অভিজ্ঞতা থাকলেও জস বাটলার ও ফিল সল্টের উপস্থিতির কারণে স্মিথের জন্য জায়গা তৈরি হয়নি। তবে চোটে থাকা জফ্রা আর্চারকে দলে রেখেছে ইংল্যান্ড। যদিও বিশ্বকাপের আগে শ্রীলঙ্কা সফরে তিনি খেলতে পারবেন না। ইসিবির আশা, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠবেন আর্চার।

এই দলে প্রথমবার সুযোগ পেয়েছেন পেসার জশ টং। অ্যাশেজ সিরিজের চতুর্থ টেস্টে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুরন্ত পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবেই তাঁর জাতীয় দলে অন্তর্ভুক্তি। সেই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে পাঁচ ও দ্বিতীয় ইনিংসে দুই উইকেট নিয়ে ম্যাচের গতিপথ ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন টং।

বিশ্বকাপের আগে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিনটি একদিনের ও তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলবে ইংল্যান্ড। সেখানেই বিশ্বকাপের প্রস্তুতি সারবে দল। হ্যারি ব্রুকের নেতৃত্বেই এবারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নামবে ইংল্যান্ড।

ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ দল (১৫ জন):

হ্যারি ব্রুক (অধিনায়ক), জস বাটলার, ফিল সল্ট, বেন ডাকেট, টম ব্যান্টন, জেকব বেথেল, উইল জ্যাকস, জেমি ওভারটন, স্যাম কারেন, রেহান আহমেদ, লিয়াম ডসন, আদিল রশিদ, জফ্রা আর্চার, জশ টং, লুক উড।

মাসিক আয়ই ছিল কোটি টাকার ঘরে, খালেদা জিয়ার মোট সম্পত্তির পরিমাণ জানলে চমকে উঠবেন

  


বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ৮০ বছর বয়সে প্রয়াত হয়েছেন। মঙ্গলবার ভোরে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়, সকাল ৬টা নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়। দীর্ঘদিন ধরে তিনি ফুসফুস ও কিডনিসহ একাধিক জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন।

খালেদা জিয়ার প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নেমে এসেছে গভীর শোক। দেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি ছিলেন বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক প্রভাবশালী ও সুপরিচিত মুখ। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ প্রকাশিত শোকবার্তায় শেখ হাসিনা বলেন, “বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী এবং বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমি গভীর শোক প্রকাশ করছি। বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তাঁর ভূমিকা দেশের ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর মৃত্যু বাংলাদেশের রাজনীতি ও বিএনপির নেতৃত্বের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।”

১৯৪৫ সালে জন্মগ্রহণ করা খালেদা জিয়া ১৯৫৯ সালে সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানকে বিয়ে করেন। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হন। ১৯৮১ সালে সামরিক কর্মকর্তাদের হাতে জিয়াউর রহমান নিহত হলে খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত জীবন ও রাজনৈতিক পথচলায় বড় মোড় আসে। স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যুক্ত হন এবং ১৯৮৪ সালে বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হন।

তাঁর নেতৃত্বেই ১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় আসে। সেই নির্বাচনের মাধ্যমে খালেদা জিয়া বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর প্রথম মেয়াদ ছিল ১৯৯১ সালের মার্চ থেকে ১৯৯৬ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। পরে ১৯৯৬ সালে স্বল্প সময়ের জন্য দ্বিতীয়বার এবং ২০০১ সালের অক্টোবর থেকে ২০০৬ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তৃতীয় মেয়াদে তিনি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এই সময়ে তিনি একদিকে যেমন অর্থনৈতিক ও প্রশাসনিক সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছেন, তেমনই নানা রাজনৈতিক বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতেও ছিলেন।

খালেদা জিয়ার সম্পদের সঠিক পরিমাণ সম্পর্কে সরকারি ভাবে বিস্তারিত তথ্য না থাকলেও ২০১৮ সালের নির্বাচনের সময় জমা দেওয়া হলফনামা থেকে কিছু ধারণা পাওয়া যায়। ওই হলফনামা অনুযায়ী, তাঁর বার্ষিক আয় ছিল প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষ বাংলাদেশি টাকা। বাড়ি, ফ্ল্যাট ও দোকান ভাড়া থেকে আয় ছিল প্রায় ৬৭ লক্ষ টাকা এবং শেয়ার ও ব্যাংক আমানত থেকে প্রায় ৮৫ লক্ষ টাকা। এছাড়াও বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তাঁর জমা অর্থের পরিমাণ ছিল প্রায় ৪ কোটি ৭৭ লক্ষ টাকা।

দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে সাফল্য ও বিতর্ক—দু’টিই ছিল খালেদা জিয়ার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। তাঁর প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের অবসান ঘটল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।

সব চেষ্টা ব্যর্থ, প্রয়াত খালেদা জিয়া; তারেক জানালেন—‘আম্মা আর নেই’

 



খালেদা জিয়ার প্রয়াণ: বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক যুগের অবসান

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া আর নেই। মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৮০ বছর। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ জানান, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ফোন করে তাঁকে বলেছেন, “আম্মা আর নেই।” ভোররাতেই চিকিৎসকেরা জানিয়েছিলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত সংকটজনক সময় অতিক্রম করছেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন ঢাকার সংবাদমাধ্যমকে জানান, সকাল সাড়ে ৬টার দিকে খালেদা জিয়ার মৃত্যু হয়। মৃত্যুকালে তাঁর পাশে ছিলেন পুত্র তারেক জিয়া ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা। দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে গুরুতর অসুস্থতায় ভুগছিলেন খালেদা জিয়া। কিডনি, লিভার ও হৃদ্‌যন্ত্রের জটিলতায় আক্রান্ত হয়ে বিগত কয়েক বছর তিনি কার্যত চিকিৎসার ওপর নির্ভর করেই জীবনযাপন করছিলেন।

গত মাসের ২৩ তারিখ তাঁর শারীরিক অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে তাঁকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাঁকে লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল। ওমানের রাজপরিবারের দেওয়া একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও ঢাকা বিমানবন্দরে প্রস্তুত ছিল। তবে শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতির কারণে শেষ পর্যন্ত তাঁকে বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করা হয়।

স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটলে অন্তর্বর্তী সরকার খালেদা জিয়াকে ‘বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করে এবং তাঁর জন্য দেশের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বরাদ্দ করে। মনে করা হয়, দেশ ও জাতির প্রতি তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক অবদানের স্বীকৃতি হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। সে সময় লন্ডনে অবস্থানরত তাঁর পুত্র তারেক রহমান দ্রুত দেশে ফেরার উদ্যোগ নেন এবং গত ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় পৌঁছে মায়ের চিকিৎসার তদারকিতে যুক্ত হন। সোমবার গভীর রাতে চিকিৎসকেরা তারেক রহমানকে হাসপাতালে তলব করলে তিনি সপরিবারে সেখানে যান। ভোররাতে বাড়ি ফেরার কিছুক্ষণ পরই আবার হাসপাতালে যেতে বলা হয়। কিছুক্ষণ পর চিকিৎসকেরা জানিয়ে দেন—সাবেক প্রধানমন্ত্রী আর নেই।

খালেদা জিয়া বাংলাদেশের তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৮১ সালে তাঁর স্বামী, শহীদ রাষ্ট্রপতি ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর তিনি রাজনীতির সক্রিয় নেতৃত্বে আসেন এবং দলের চেয়ারপার্সনের দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তাঁর অসুস্থতার কারণে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তারেক রহমান দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

খালেদা জিয়ার জন্ম ১৯৪৫ সালে অবিভক্ত দিনাজপুরে। তাঁর পারিবারিক শিকড় বর্তমান বাংলাদেশের ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে। সেনা কর্মকর্তা জিয়াউর রহমানের সঙ্গে বিবাহের পর তাঁর জীবন নানা ঘাত-প্রতিঘাতের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ, সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রাম—সবকিছুতেই তিনি ছিলেন বাংলাদেশের রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে।

১৯৯১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে তিনি বাংলাদেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হন। এরপর ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে আরও দুই দফা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর প্রয়াণে বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটল, নেমে এসেছে শোকের ছায়া।

পুতিনের বাসভবনে ৯১ ড্রোন হামলা, পাল্টা কড়া হুঁশিয়ারি রাশিয়ার”

  


২৯ ডিসেম্বর ২০২৫: ইউক্রেনের বিরুদ্ধে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের রাষ্ট্রীয় বাসভবনে হামলার চেষ্টার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। সোমবার রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ দাবি করেন, ২৮–২৯ ডিসেম্বর ইউক্রেন নভগোরোদ অঞ্চলে অবস্থিত প্রেসিডেন্টের বাসভবন লক্ষ্য করে ৯১টি দূরপাল্লার ড্রোন হামলা চালায়। তবে রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সব ক’টি ড্রোনই ধ্বংস করতে সক্ষম হয়েছে বলে তাঁর দাবি।

ল্যাভরভ এই ঘটনাকে ‘সন্ত্রাসবাদী কাজ’ বলে আখ্যা দিয়ে হুঁশিয়ারি দেন, এ ধরনের হামলা বিনা জবাবে ছেড়ে দেওয়া হবে না। তাঁর কথায়, “রাশিয়ান সশস্ত্র বাহিনীর তরফে প্রতিশোধমূলক হামলার জন্য লক্ষ্য আগেই নির্ধারিত হয়েছে।” একই সঙ্গে তিনি জানান, ইউক্রেনের সঙ্গে সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে আলোচনা চলাকালীন এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। রাশিয়া আলোচনা থেকে সরে আসছে না, তবে মস্কো নিজের অবস্থান পুনর্বিবেচনা করবে।

অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, এই দাবি ভিত্তিহীন এবং কিয়েভের সরকারি ভবনগুলিতে হামলার জন্য মস্কো যে পরিস্থিতি তৈরি করছিল, তারই অংশ। জেলেনস্কির অভিযোগ, শান্তি আলোচনাকে দুর্বল করতেই এ ধরনের বক্তব্য দিচ্ছে রাশিয়া। হামলার সময় প্রেসিডেন্ট পুতিন তাঁর বাসভবনে উপস্থিত ছিলেন কিনা, সে বিষয়েও স্পষ্ট তথ্য মেলেনি।

উল্লেখ্য, রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ শুরু হয় ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে। তার পর থেকে এই সংঘাত দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় যুদ্ধে রূপ নিয়েছে। লক্ষ লক্ষ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, নিহত হয়েছেন হাজার হাজার। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত যুদ্ধ অব্যাহত, যেখানে রাশিয়া এখনও ইউক্রেনের প্রায় ২০ শতাংশ ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে। শান্তি আলোচনা চললেও এখনো কোনও চূড়ান্ত সমাধানে পৌঁছানো যায়নি।

ক্যান্সারের কাছে হার মানলেন অভিনেত্রী শ্রাবণী বণিক

 


প্রয়াত হলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবণী বণিক। ক্যান্সারের সঙ্গে দীর্ঘ লড়াইয়ের পর সোমবার সকালে তাঁর মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ে টলিপাড়ায়। এই খবরে শোকস্তব্ধ গোটা বাংলা চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইন্ডাস্ট্রি। সহকর্মী, বন্ধু ও অনুরাগীদের হৃদয়ে নেমে এসেছে গভীর বিষাদের ছায়া।

শ্রাবণীর মৃত্যুতে আবেগঘন বার্তা দিয়েছেন পরিচালক বাবু বণিক। তিনি লেখেন, কাজের সূত্রে তৈরি হওয়া পরিচয় কীভাবে নিঃস্বার্থ বন্ধুত্বে পরিণত হয়, শ্রাবণী তারই উদাহরণ। অভিনেত্রীকে হারিয়ে তিনি ও তাঁর পরিবার বাকরুদ্ধ বলে জানান। শ্রাবণীর অকালপ্রয়াণ মেনে নিতে পারছেন না কেউই।

জানা যায়, মারণরোগ ক্যান্সারে আক্রান্ত হলেও আর্থিক অনটনের কারণে যথাযথ চিকিৎসা করানো কঠিন হয়ে পড়েছিল অভিনেত্রীর পরিবারের পক্ষে। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজন ছিল বিপুল অর্থ। সেই কারণেই গত নভেম্বর মাসে সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে সাহায্যের আবেদন জানিয়েছিল তাঁর পরিবার। অভিনেত্রীর ছেলে মায়ের জীবন বাঁচানোর জন্য সকলের কাছে সহায়তা চেয়েছিলেন।

স্বামী, কিংবদন্তি পরিচালক তরুণ মজুমদারের মৃত্যুর পর থেকেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন শ্রাবণী। নিজের অসুস্থতা নিয়েও খুব একটা মুখ খুলতে চাননি তিনি। TV9 বাংলাকে একবার জানিয়েছিলেন, চাপের মধ্যে আছেন, পরে কথা বলবেন। কিন্তু সেই ফোন আর আসেনি। বছর শেষ হওয়ার আগেই শ্রাবণীর চলে যাওয়া যেন টলিউডে এক অপূরণীয় শূন্যতা তৈরি করে গেল।

“১০০০ গোলের পর কি অবসর? রোনাল্ডোকে ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে”

 


৪০ বছর বয়সেও ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর গোলের ক্ষুধা যে কমেনি, তা তিনি আবারও প্রমাণ করলেন। সম্প্রতি দুবাইয়ে আয়োজিত গ্লোব সকার অ্যাওয়ার্ডস ২০২৫-এ সেরা মিডল ইস্ট প্লেয়ারের পুরস্কার নেওয়ার সময় নিজের স্বপ্নের মাইলফলক নিয়ে মুখ খুলেছেন এই পর্তুগিজ সুপারস্টার।

​১০০০ গোলের অবিস্মরণীয় লক্ষ্য

​আল আখদুদের বিপক্ষে জোড়া গোল করে রোনাল্ডোর বর্তমান গোল সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৫৬-এ। ম্যাজিক ফিগার ১০০০ ছুঁতে তাঁর প্রয়োজন আর মাত্র ৪৪টি গোল। দুবাইয়ের অনুষ্ঠানে রোনাল্ডো স্পষ্ট জানিয়ে দেন:

​"আপনারা জানেন আমার লক্ষ্য কী। আমি ট্রফি জিততে চাই এবং ১০০০ গোলের সেই সংখ্যায় পৌঁছাতে চাই। চোট না থাকলে আমি নিশ্চিতভাবেই এই অসাধ্য সাধন করব।"


​কেন এই সংকল্প?

  • অদম্য ইচ্ছাশক্তি: বয়স ৪০ পার হলেও ফুটবল উপভোগ করার মানসিকতাই তাঁকে মাঠে নামার রসদ দিচ্ছে।
  • অবসর নিয়ে ইউ-টার্ন: গত মাসে দ্রুত অবসরের ইঙ্গিত দিলেও, বর্তমানে হাজার গোলের মাইলফলক না ছুঁয়ে বুটজোড়া তুলে রাখতে তিনি নারাজ।
  • দুর্দান্ত ফর্ম: চলতি মৌসুমে সৌদি প্রো লিগে ১২ গোল করে তিনি গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন।

​রোনাল্ডোর বর্তমান চুক্তি ২০২৭ সাল পর্যন্ত, তখন তাঁর বয়স হবে ৪২। ফুটবল প্রেমীরা এখন অধীর অপেক্ষায় রয়েছেন ফুটবল ইতিহাসের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে রোনাল্ডোর সেই ঐতিহাসিক ১০০০তম গোলটি দেখার জন্য।

“সন্ত্রাস দমনে রাজ্যগুলিকে একজোট হওয়ার ডাক শাহের”

 


দেশজুড়ে সন্ত্রাসবাদের বিষদাঁত উপড়ে ফেলতে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলির মধ্যে সমন্বয়ের ওপর বিশেষ জোর দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। নয়াদিল্লিতে আয়োজিত 'সন্ত্রাসবিরোধী সম্মেলন ২০২৫' (Anti-Terrorism Conference-2025)-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এই বার্তা দেন।

​সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইকে আরও শক্তিশালী করতে শাহ দেশের প্রতিটি রাজ্যের জন্য একটি অভিন্ন সন্ত্রাসবাদবিরোধী স্কোয়াড (ATS) কাঠামো গড়ার প্রস্তাব দিয়েছেন। তাঁর মতে, সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে কোনো ফাঁক রাখা চলবে না। এনআইএ (NIA) ইতিমধ্যে এই অভিন্ন কাঠামোর একটি খসড়া প্রস্তুত করেছে। এর মূল লক্ষ্য হলো, প্রতিটি রাজ্যের এটিএস যাতে সমান সুযোগ, উন্নত প্রযুক্তি এবং একই স্তরের প্রস্তুতি নিয়ে যেকোনো নাশকতামূলক ছক রুখে দিতে পারে।

​স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানান, প্রযুক্তির অপব্যবহারের ফলে সন্ত্রাসবাদের ধরন প্রতিনিয়ত পাল্টাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদান আরও মসৃণ করতে হবে। তিনি তথ্যের গোপনীয়তার চেয়ে 'তথ্যের অংশীদারিত্ব' (Duty to Share)-র ওপর বেশি গুরুত্ব দেন। অপরাধীদের দমনে সমন্বিত পদক্ষেপ নিতে তিনি প্রতিটি রাজ্যের পুলিশপ্রধানদের দ্রুত এই অভিন্ন এটিএস মডেল বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

“যে কোনও সময় রুশ হামলার আশঙ্কা, আতঙ্কে সুইস সেনাপ্রধান”

 


সুইজারল্যান্ডের মতো একটি ঐতিহাসিকভাবে নিরপেক্ষ দেশ যখন তাদের প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে এমন সরাসরি আশঙ্কা প্রকাশ করে, তখন বোঝা যায় ইউরোপের নিরাপত্তা পরিস্থিতি কতটা নাটকীয়ভাবে বদলে গেছে। আপনার দেওয়া তথ্যগুলোর ওপর ভিত্তি করে এবং বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে একটি বিশ্লেষণমূলক প্রতিবেদন নিচে তুলে ধরা হলো:

​সুইজারল্যান্ডের প্রতিরক্ষা সংকট: নিরপেক্ষতা কি এখন কেবলই একটি 'ভুল ধারণা'?

​সুইস সশস্ত্র বাহিনীর বিদায়ী প্রধান থমাস সাসলি (Thomas Süssli) অতি সম্প্রতি (ডিসেম্বর ২০২৫) রাশিয়ার ক্রমবর্ধমান হুমকি নিয়ে যে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তা ইউরোপের রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। তাঁর বক্তব্যের মূল নির্যাস হলো—সুইজারল্যান্ড বর্তমানে কোনো বড় আকারের সামরিক আক্রমণ ঠেকানোর জন্য প্রস্তুত নয়।

​১. মূল সংকট: সক্ষমতার অভাব

​সাসলি স্বীকার করেছেন যে, জরুরি অবস্থায় সুইজারল্যান্ডের মাত্র এক-তৃতীয়াংশ সেনা প্রয়োজনীয় যুদ্ধের সরঞ্জামে সজ্জিত থাকবে। বর্তমান আধুনিক যুদ্ধে যা অত্যন্ত অপর্যাপ্ত। তাঁর মতে:

  • ​সুইজারল্যান্ড অবকাঠামো রক্ষা এবং সাইবার হামলা মোকাবিলায় সক্ষম হলেও, পূর্ণাঙ্গ সামরিক আগ্রাসন প্রতিহত করার শক্তি তাদের নেই।
  • ​সেনাবাহিনীতে আধুনিক ড্রোন, ভারী সরঞ্জাম এবং পর্যাপ্ত গোলাবারুদের তীব্র সংকট রয়েছে।

​২. আধুনিকায়নের পরিকল্পনা ও সীমাবদ্ধতা

​পরিস্থিতি সামাল দিতে সুইজারল্যান্ড কিছু দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিয়েছে:

  • F-35 যুদ্ধবিমান: পুরোনো বিমানগুলো সরিয়ে আধুনিক মার্কিন স্টিলথ ফাইটার জেট অন্তর্ভুক্ত করা হচ্ছে।
  • বাজেট বৃদ্ধি: বর্তমান জিডিপির ০.৭% থেকে বাড়িয়ে ২০৩২ সালের মধ্যে প্রতিরক্ষা বাজেট ১% করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
  • সাসলির উদ্বেগ: সেনাপ্রধানের মতে, এই মন্থর গতিতে কাজ চললে সেনাবাহিনী পুরোপুরি প্রস্তুত হতে ২০৫০ সাল লেগে যাবে, যা বর্তমান রুশ হুমকির মুখে অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং দেরিতে নেওয়া পদক্ষেপ।

​৩. নিরপেক্ষতা বনাম নিরাপত্তা

​সুইজারল্যান্ডের নাগরিকদের মধ্যে একটি প্রচলিত ধারণা ছিল যে, 'নিরপেক্ষ' থাকা মানেই নিরাপদ থাকা। কিন্তু সাসলি এই ধারণাকে "ঐতিহাসিকভাবে ভুল" বলে অভিহিত করেছেন। তাঁর যুক্তিগুলো হলো:

  • ​সুইজারল্যান্ড থেকে ইউক্রেন যুদ্ধের দূরত্ব অনেক হওয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে এক ধরনের মিথ্যা নিরাপত্তা বোধ (False sense of security) তৈরি হয়েছে।
  • ​ইতিহাস সাক্ষী দেয় যে, একটি সশস্ত্র দেশ নিরপেক্ষ হলেও আগ্রাসনের শিকার হতে পারে যদি তার আত্মরক্ষার সক্ষমতা না থাকে।
  • ​রাশিয়া যদি ইউক্রেন দখল করতে সফল হয়, তবে সুইজারল্যান্ড ও রাশিয়ার মাঝে থাকবে কেবল হাঙ্গেরি ও অস্ট্রিয়া—যা ভৌগোলিক নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি।

​বর্তমান অবস্থান

​সুইজারল্যান্ড এখন ন্যাটোর (NATO) সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার এবং ড্রোন প্রযুক্তিতে স্বনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করছে। তবে কঠোর নিরপেক্ষতা নীতি বজায় রেখে কীভাবে এই বিশাল সামরিক শূন্যতা পূরণ করা সম্ভব, সেটাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

বান্ধবীর সামনেই হার্দিককে আক্রমণ! কী করলেন ভারতীয় অলরাউন্ডার?”

 


হার্দিক পাণ্ড্যকে নিয়ে এই খবরটি সত্যিই বর্তমানে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ চর্চিত হচ্ছে। বিশেষ করে তাঁর আচরণের এই পরিবর্তন নেটিজেনদের অবাক করেছে। নিচে পুরো বিষয়টি সংক্ষেপে তুলে ধরা হলো:

​হার্দিক পাণ্ড্যর ধৈর্য ও ভাইরাল ভিডিও: মূল ঘটনা

​দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে সাদা বলের সিরিজে জয়ের পর বর্তমানে ভারতীয় ক্রিকেটাররা কিছুটা বিশ্রামে রয়েছেন। বড়দিনের আমেজে প্রেমিকা মাহিকা শর্মার সঙ্গে ডিনার ডেটে গিয়ে এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখে পড়েন হার্দিক।

​যা ঘটেছিল:

  • ভক্তদের ভিড়: রেস্তোরাঁ থেকে বেরোনোর সময় হার্দিক ও মাহিকাকে ঘিরে ধরেন ভক্তরা। হার্দিক হাসিমুখে সেলফি দিলেও ভিড় বাড়তে থাকায় তিনি গাড়ির দিকে এগিয়ে যান।
  • অশালীন মন্তব্য: ভিড়ের চাপে এক ভক্ত সেলফি তুলতে না পেরে মেজাজ হারিয়ে হার্দিককে লক্ষ্য করে "ভাড় মে যাও" (জাহান্নমে যাও) বলে চিৎকার করেন।
  • হার্দিকের প্রতিক্রিয়া: সাধারণত হার্দিককে মাঠে বা বাইরে কিছুটা উদ্ধত বা রাগী হিসেবে দেখা গেলেও, এবার তিনি সম্পূর্ণ শান্ত ও নির্লিপ্ত ছিলেন। কোনো পাল্টা জবাব না দিয়ে তিনি মাহিকাকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে চলে যান।

​কেন এই আচরণ প্রশংসিত হচ্ছে?

​নেটিজেনদের মতে, হার্দিক আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিণত (Mature) হয়েছেন। এর আগে মাহিকার প্রতি পাপারাৎজিদের অশোভন আচরণের বিরুদ্ধে তিনি কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় মহিলাদের মর্যাদা নিয়ে দীর্ঘ পোস্ট করেছিলেন। কিন্তু এবার ভক্তের অহেতুক গালাগালিতে কান না দিয়ে তিনি যেভাবে পরিস্থিতি সামলেছেন, তা তাঁর মানসিক পরিবর্তনেরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

​"মাঠের সেই উদ্ধত হার্দিকের বদলে এখনকার শান্ত ও সংযত হার্দিককে দেখে মুগ্ধ ক্রিকেট মহল।"


​নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগে হার্দিকের এই মানসিক প্রশান্তি ভক্তদেরও আনন্দ দিচ্ছে। আপনি কি মনে করেন হার্দিকের এই বদলে যাওয়া আচরণ আসন্ন সিরিজে তাঁর পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে?


দীপু দাস হত্যা বিতর্কে মুস্তাফিজ, কেকেআর বয়কটের ডাক সমর্থকদের”

 


ওপার বাংলায় হিন্দুদের ওপর চলমান নিপীড়ন এবং সেই আবহে কেকেআর-এর মুস্তাফিজুর রহমানকে রেকর্ড মূল্যে দলে নেওয়া নিয়ে আপনার ক্ষোভ ও পর্যবেক্ষণ অত্যন্ত জোরালো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই মুহূর্তে #BoycottKKR ট্রেন্ড এবং সমর্থকদের মধ্যে যে অসন্তোষ দানা বেঁধেছে, তা সংবাদ শিরোনামেও উঠে আসছে।

​১. মুস্তাফিজুরের রেকর্ড মূল্য ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট

​আপনি ঠিকই ধরেছেন, ৯ কোটি ২০ লক্ষ টাকা আইপিএল ইতিহাসে কোনো বাংলাদেশি ক্রিকেটারের জন্য সর্বোচ্চ দর। কেকেআর অতীতে মাশরাফি মুর্তজা (২০০৯ সালে ৬ লক্ষ ডলার), শাকিব আল হাসান ও লিটন দাসকে নিলেও এবার মুস্তাফিজুরকে নিয়ে বিতর্ক অন্য মাত্রা পেয়েছে। ক্রিকেটীয় যুক্তিতে তিনি একজন দক্ষ বোলার হলেও, বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বিশাল অঙ্কের বিনিয়োগ অনেকের চোখেই 'অসংবেদনশীল' মনে হচ্ছে।

​২. নীরবতা ও নৈতিক দায়বদ্ধতা

​বাংলাদেশের ক্রিকেট মহলে সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে নীরবতা এক বিরাট বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। দীপু দাসের হত্যাকাণ্ড বা মন্দির ভাঙচুর নিয়ে যেখানে আন্তর্জাতিক স্তরে উদ্বেগ প্রকাশ করা হচ্ছে, সেখানে মুস্তাফিজুরের মতো আইপিএল-এর পরিচিত মুখের নীরবতা ভারতের দর্শকদের আহত করেছে। অনেকের যুক্তি— যে দেশের মানুষ ভারতের সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বা ভারত বয়কটের ডাক দিচ্ছে, সেই দেশের খেলোয়াড়কে ভারতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি কেন এত গুরুত্ব দেবে?

​৩. কেকেআর বয়কটের ডাক ও জনমত

​পশ্চিমবঙ্গের হিন্দুত্ববাদী সংগঠন এবং সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীদের একাংশের দাবি স্পষ্ট— 'দেশ আগে, খেলা পরে'। পাকিস্তানের খেলোয়াড়দের যেভাবে আইপিএল থেকে দূরে রাখা হয়েছে, বর্তমান ভারত-বিদ্বেষী মানসিকতার প্রেক্ষিতে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম কেন প্রযোজ্য হবে না, সেই দাবি সোশ্যাল মিডিয়ায় জোরালো হচ্ছে।

​৪. ভারত-বিদ্বেষ বনাম পেশাদার ক্রিকেট

​হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে যেভাবে উগ্র মৌলবাদের আস্ফালন ও ভারতের 'সেভেন সিস্টার্স' নিয়ে উস্কানিমূলক কথা শোনা যাচ্ছে, তা সাধারণ ভারতীয়দের সংক্ষুব্ধ করে তুলেছে। এই অবস্থায় 'জাতীয় সংহতি' ও 'আবেগের' কথা মাথায় রেখে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হচ্ছে।

সারসংক্ষেপ:

ক্রীড়াঙ্গনে রাজনীতি থাকা উচিত কি না, তা নিয়ে দীর্ঘ বিতর্ক থাকলেও যখন মানবিকতা ও জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্ন আসে, তখন খেলাধুলা তার বাইরে থাকতে পারে না। মুস্তাফিজুর বা বাংলাদেশের অন্যান্য খেলোয়াড়দের এই বিতর্ক থেকে বেরিয়ে আসতে হলে সম্ভবত তাঁদের নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা জরুরি।


মেসি কাণ্ডে দর্শকদের টাকা ফেরত নিয়ে সরাসরি উদ্যোগ বিধাননগর পুলিশের”

 

কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লিওনেল মেসির সফর ঘিরে যে চরম বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়েছিল,


মেসি কাণ্ডে প্রতারিত দর্শকদের টাকা ফেরতের বিষয়টি বর্তমানে সরাসরি বিধাননগর পুলিশ (Bidhannagar Police) এবং বিশেষ তদন্তকারী দল (SIT) তদারকি করছে। যেহেতু বিষয়টি একটি আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তাই রিফান্ড পাওয়ার জন্য আপনাকে নিচের পদক্ষেপগুলো অনুসরণ করতে হতে পারে:

​১. টিকিট এবং পেমেন্টের প্রমাণ গুছিয়ে রাখা

​সবার আগে নিশ্চিত করুন আপনার কাছে নিচের তথ্যগুলো ডিজিটাল বা হার্ডকপি হিসেবে রয়েছে:

  • টিকিট আইডি (Booking ID): অনলাইন পোর্টাল থেকে কেনা টিকিটের ইউনিক কোড।
  • পেমেন্ট রিসিপ্ট: ব্যাংক স্টেটমেন্ট বা অনলাইন পেমেন্ট অ্যাপ (GPay/PhonePe) থেকে পাওয়া ট্রানজ্যাকশন আইডি।
  • অব্যবহৃত টিকিট: যদি স্টেডিয়ামে ঢুকতে না পেরে থাকেন, তবে সেই টিকিটের ছবি বা পিডিএফ।

​২. টিকিট সংস্থার (District by Zomato) সাথে যোগাযোগ

​যেহেতু 'ডিস্ট্রিক্ট' (District) অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট বিক্রি হয়েছিল, তাই প্রাথমিক রিফান্ড রিকোয়েস্ট তাদের কাছেই পাঠাতে হবে।

  • ​অ্যাপের Help/Support সেকশনে গিয়ে একটি কমপ্লেন বা রিফান্ড রিকোয়েস্ট ফাইল করে রাখুন।
  • ​ইমেইলের মাধ্যমেও আপনার ট্রানজ্যাকশন ডিটেইলস সহ টাকা ফেরতের দাবি জানিয়ে রাখতে পারেন (যাতে ভবিষ্যতে প্রমাণের কাজ দেয়)।

​৩. পুলিশি নির্দেশিকার দিকে নজর রাখা

​বিধাননগর পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাজেয়াপ্ত হওয়া ২২ কোটি টাকা থেকে রিফান্ড দেওয়ার প্রক্রিয়া আইনি পথে শুরু হবে।

  • ​পুলিশ একটি ডেডিকেটেড ইমেল বা পোর্টাল চালু করতে পারে যেখানে ক্ষতিগ্রস্তরা তাদের টিকিটের তথ্য জমা দিতে পারবেন।
  • SIT বা পুলিশের অফিসিয়াল ফেসবুক/টুইটার (X) পেজে নজর রাখুন, কারণ রিফান্ড সংক্রান্ত অফিসিয়াল বিজ্ঞপ্তি ওখানেই দেওয়া হবে।

​৪. সাইবার ক্রাইম বা লোকাল থানায় ডায়েরি

​আপনি যদি এখনও কোনো অফিসিয়াল অভিযোগ না জানিয়ে থাকেন, তবে নিকটবর্তী সাইবার ক্রাইম থানা বা [সন্দেহজনক লিঙ্ক সরানো হয়েছে] পোর্টালে একটি অভিযোগ নথিভুক্ত করতে পারেন। এটি আপনার টাকা ফেরতের দাবিকে আইনিভাবে আরও মজবুত করবে।

সতর্কতা: এই পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে কোনো প্রতারক চক্র যদি আপনাকে "টাকা ফেরত দেওয়ার নাম করে" কোনো লিঙ্ক পাঠায় বা ওটিপি (OTP) চায়, তবে তাতে পা দেবেন না। পুলিশ সরাসরি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে বা যে মাধ্যমে পেমেন্ট করেছেন সেখানেই টাকা ফেরানোর ব্যবস্থা করবে।